Home / আন্তর্জাতিক / কেউ অনাহারে মারা যায়নি, দাবি মমতার

কেউ অনাহারে মারা যায়নি, দাবি মমতার

যমুনা নিউজ বিডি: লালগড়ের জঙ্গলখাস গ্রামে পর পর সাতজন শবরের মৃত্যু নিয়ে যখন হইচই চলছে, তখন অনাহারে তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

বুধবার সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, রাজ্যে অনাহারে কারো মৃত্যু হয় না। পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর জন্য সরকার বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করে। অনাহারের প্রশ্ন খারিজ করে দিলেও, সরাসরি ওই গ্রামের কথা উল্লেখ মুখ্যমন্ত্রী করেননি।

এ মাসেই প্রথম ১১ দিনে ঝাড়গ্রাম জেলার ওই গ্রামে চারজন শবরের মৃত্যু হয়েছে। আর গত অাগস্টের ১০ তারিখ থেকে ধরলে মৃতের সংখ্যা সাতজন। কারোই মৃত্যু বয়সজনিত কারণে হয়নি। তাদের সকলেরই মৃত্যু হয়েছে যক্ষ্মা, যকৃতের সমস্যা ইত্যাদি কারণে।

এই মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই আলোড়ন শুরু হয়।  নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছুটে যান খোদ জেলা শাসক আয়েষা রানি।

তিনিও ওই অনাহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, যারা মারা গেছেন তাদের বেশির ভাগেরই যক্ষ্মা হয়েছিল। যকৃতে সমস্যা ছিল। তারা নিয়মিত চিকিৎসা করাতেন না। মদ্যপানও করতেন।

তবে জেলা প্রশাসন বা রাজ্য সরকার যা-ই বলুক না কেন, বাস্তব কিন্তু অন্য কথা বলছে। আর সেই বাস্তব উঠে এসেছে খোদ গ্রামেরই মানুষগুলোর মুখ থেকে।

মোট ৩৫টি শবর পরিবারের বাস জঙ্গলখাস গ্রামে। গ্রামবাসীরা জানান, অর্ধেক দিন তাদের খাবারই জোটে না। সরকার ২ টাকা কেজি দরে চাল দেয় ঠিকই, কিন্তু তা মোটেও পর্যাপ্ত নয়। কাজ বলতে জঙ্গল থেকে কাঠ কেটে এনে বিক্রি করা, অন্যের জমিতে দিনমজুর খাটা। মাসের অর্ধেক দিন কাজ পেলেও বাকি সময় কাজ থাকে না।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিয়েও সরকারি বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু তাদের সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Check Also

আইএসের শামীমাকে নিয়ে বাংলাদেশের বক্তব্যে বিপদে যুক্তরাজ্য

যমুনা নিউজ বিডি :  বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক শামীমা বেগম ২০১৫ সালে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ …

Powered by themekiller.com