Home / জাতীয় / একাত্তর ও পঁচাত্তরের খুনী চক্র নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে

একাত্তর ও পঁচাত্তরের খুনী চক্র নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে

যমুনা নিউজ বিডি ঃ খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম বলেছেন, একাত্তর ও পঁচাত্তরের খুনী চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করে জাতীয় নির্বাচন বানচালের নানা ষড়যন্ত্র করছে।

আজ রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে “স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা” শীর্ষক এক আলোচনা ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামীকাল ৭ মে প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা, শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা ও স্মরণ সভায় আয়োজন করে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদ।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তাই তারা পার্বত্য চট্রগ্রামে আবার অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে চায়। স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-শিবিরের সাথে বিএনপি আজ আবার ২০১৪ সালের মত নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেছে। বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আদালত তার দণ্ড মওকুফ না করলে শুধু জামিন দিলেও বেগম জিয়া নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে একটি দল নির্বাচনে আসলে বা না আসলে কিছু আসে যায় না। নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারে বিএনপির কোনও প্রতিনিধি থাকতে পারবে না। কারণ বর্তমান সংসদে তাদের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এই দেশে যারা আহসান উল্লাহ মাস্টারের মত মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রিয় নেতাকে হত্যা করে তাদেরকেই আবার নির্বাচনে প্রার্থী করে। তাই আগামীতে এই দেশে সরকার ও বিরোধী দলে মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকেই ক্ষমতায় থাকতে হবে।

সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। এতে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে মহাসচিব মো. ওমর ফারুক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার সাহা, আওয়ামী লীগ নেতা ড. মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী, জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন ও টঙ্গী থানা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান কানন মোল্লা।

অন্য বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন আহসান উল্লাহ মাস্টার। তিনি শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সস্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দু’বার সংসদ সদস্য, ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গীস্থ নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রকাশ্যে তাকে গুলি করে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী।

Check Also

বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে ভারত

যমুনা নিউজ বিডি: আগামী ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিনিধিদল পাঠাবে ভারত।     …

Powered by themekiller.com